সরকারি BDRIS পোর্টাল · হালনাগাদ ৩১ আগস্ট ২০২৬

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম ২০২৬

জন্ম সনদের নাম্বার আর জন্ম তারিখ জানা থাকলে ঘরে বসেই মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন। কোনো টাকা লাগে না।

লাগবে ১৭ ডিজিটের নাম্বার সময় ১ মিনিট খরচ সম্পূর্ণ ফ্রি

জন্ম নিবন্ধন যাচাই ফরম

নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ লিখে যাচাই করুন বাটনে ক্লিক করুন

সনদের উপরে থাকা ১৭ সংখ্যার নাম্বার, স্পেস বা ড্যাশ ছাড়া
বছর-মাস-দিন ক্রমে লিখুন। উদাহরণ, ২৫ আগস্ট ২০০৫ হলে 2005-08-25

বাটনে ক্লিক করলে সরকারি BDRIS ওয়েবসাইট নতুন ট্যাবে খুলবে এবং আপনার নাম্বার ও জন্ম তারিখ সেখানে বসানো থাকবে। শুধু ক্যাপচার অংকটি সমাধান করে Search চাপুন। নাম্বারটি কপিও হয়ে যায়, তাই কোনো ঘর ফাঁকা থাকলে পেস্ট করে নিতে পারবেন। আমরা আপনার কোনো তথ্য সংরক্ষণ করি না।

এই পাতায় যা আছে

জন্ম সনদের তথ্য ঠিক আছে কিনা, কিংবা সনদটি অনলাইন করা আছে কিনা, এই দুটো জিনিস জানার জন্যই মূলত জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে হয়। কাজটা ঘরে বসে মোবাইল দিয়েই করা যায়, সময় লাগে এক মিনিটেরও কম।

স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট, এনআইডি বা ব্যাংকের কাজে যাওয়ার আগে সনদটি একবার যাচাই করে নেওয়া ভালো। কারণ কাগজ জমা দেওয়ার পর যদি জানা যায় সনদ অনলাইনে নেই বা নামের বানানে ভুল আছে, তখন পুরো কাজটাই আটকে যায়।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে যা যা লাগবে

জন্ম সনদ অনলাইনে যাচাই করতে দুটি তথ্য লাগবে। এগুলো হলো —

  • জন্ম নিবন্ধন নাম্বার (১৭ ডিজিট)
  • জন্ম তারিখ (বছর-মাস-দিন)

দুটো তথ্যই সনদের কাগজে লেখা থাকে। এর বাইরে আর কোনো কাগজপত্র বা টাকা লাগে না।

আপনার সনদের নাম্বার যদি ১৩ ডিজিটের হয়, তাহলেও কাজ চলবে। সেক্ষেত্রে নাম্বারের শুরুতে জন্মসালটি বসিয়ে নিতে হবে। যেমন কারও ১৩ ডিজিটের নাম্বার 9234567890123 এবং জন্মসাল 2005 হলে, ১৭ ডিজিটের নাম্বারটি হবে 20059234567890123

তবে সনদটি যদি অনেক পুরনো হাতে লেখা হয় এবং কখনো অনলাইন করা না হয়ে থাকে, তাহলে যাচাই করলে কোনো তথ্য আসবে না।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে যাচাই করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন চেক করতে উপরের ফরমের প্রথম ঘরে আপনার সনদের ১৭ ডিজিটের নাম্বার লিখুন। দ্বিতীয় ঘরে জন্ম তারিখ লিখুন, বছর-মাস-দিন ফরম্যাটে। এরপর জন্ম নিবন্ধন যাচাই করুন বাটনে ক্লিক করুন।

বাটনে ক্লিক করলে সরকারি ওয়েবসাইটটি নতুন ট্যাবে খুলবে এবং আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সেখানে বসানো থাকবে। এরপর ছবিতে দেখানো অংকটি সমাধান করে নিচের ঘরে উত্তরটি লিখুন। সবশেষে Search বাটনে ক্লিক করলেই সনদের তথ্য দেখতে পাবেন।

তথ্য না এলে বুঝতে হবে হয় নাম্বার বা জন্ম তারিখে ভুল আছে, নয়তো সনদটি অনলাইন করা নেই। পুরো পদ্ধতিটি নিচে ছবিসহ ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে।

মোবাইলে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

মোবাইল থেকে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে আলাদা কোনো অ্যাপ লাগে না। হাতের ফোনের ব্রাউজার দিয়েই কাজটা হয়ে যায়।

Chrome বা যেকোনো ব্রাউজার খুলে https://everify.bdris.gov.bd/ ভিজিট করুন, অথবা গুগলে everify bdris gov bd লিখে সার্চ করে প্রথম ওয়েবসাইটে ঢুকুন। এরপর নিচের কাজগুলো করুন —

  • প্রথম ঘরে ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার লিখুন
  • দ্বিতীয় ঘরে বছর-মাস-দিন ফরম্যাটে জন্ম তারিখ লিখুন
  • ছবির অংকটি সমাধান করে উত্তর লিখুন
  • Search বাটনে ক্লিক করুন

নাম্বার লেখার সময় একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন, কিবোর্ড যেন ইংরেজি সংখ্যায় (123) থাকে। বাংলা সংখ্যায় (১২৩) লিখলে কাজ হবে না।

তথ্য চলে এলে ব্রাউজারের তিন ডট মেনু থেকে Share অপশনে গিয়ে Print বেছে নিলে যাচাই কপির পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

শুধু জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যায় না। তারিখের সাথে ১৭ ডিজিটের নাম্বারটিও লাগবে।

জন্ম তারিখ লেখার সময় ফরম্যাট নিয়ে অনেকে ভুল করেন। মনে রাখবেন, লিখতে হবে বছর আগে, তারপর মাস, সবশেষে দিন। মাঝে হাইফেন (-) চিহ্ন দিতে হবে।

জন্ম তারিখযেভাবে লিখতে হবে
২৫ আগস্ট ২০০৫2005-08-25
৫ জানুয়ারি ২০১০2010-01-05
৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৮1998-12-30

আমাদের অফিসে যাচাই না হওয়ার অভিযোগ নিয়ে যারা আসেন, তাদের বেশিরভাগেরই সমস্যা এই তারিখের ফরম্যাটে। নাম্বার ঠিক থাকলেও তারিখ উল্টো করে লেখার কারণে কিছু আসে না।

আইডি কার্ড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন চেক

ভোটার আইডি কার্ড বা এনআইডি নাম্বার দিয়ে জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায় না। জাতীয় পরিচয়পত্রের সিস্টেম আর জন্ম নিবন্ধনের সিস্টেম আলাদা, একটির সাথে আরেকটির সরাসরি সংযোগ নেই।

একইভাবে নাম, মোবাইল নাম্বার বা পাসপোর্ট নাম্বার দিয়েও যাচাই করা যায় না। যাচাইয়ের একমাত্র উপায় ১৭ ডিজিটের নাম্বার আর জন্ম তারিখ।

তবে আইডি কার্ড সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশনে গেলে সেখান থেকে ভলিউম বই দেখে আপনার জন্ম সনদের নাম্বারটি বের করে দিতে পারবেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত এনআইডি দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাইয়ের পোস্টে লেখা আছে।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই কপি ডাউনলোড PDF

যাচাই করার পর যে তথ্যগুলো স্ক্রিনে আসে, সেই পেজটি প্রিন্ট করার মাধ্যমেই যাচাই কপি ডাউনলোড করতে হয়। আলাদা কোনো ডাউনলোড বাটন নেই।

কম্পিউটার থেকে কিবোর্ডের CTRLP বাটন একসাথে চাপুন। প্রিন্টার থাকলে সরাসরি প্রিন্ট করতে পারবেন, না থাকলে Destination-এ Save as PDF বেছে নিয়ে ফাইলটি সেভ করে নিন।

মোবাইল থেকে ব্রাউজারের তিন ডট আইকনে ক্লিক করে Share অপশনে যান, সেখান থেকে Print বেছে নিন। এরপর ফাইলটি সেভ করে নিতে পারবেন।

তবে মনে রাখবেন, এই যাচাই কপি আর অফিস থেকে তোলা মূল সনদ এক জিনিস নয়। বিস্তারিত পার্থক্য ও নিয়ম জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোডের পোস্টে দেওয়া আছে।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

Birth Certificate Check করতে গিয়ে অনেকেই কিছু সমস্যায় পড়েন। কোন সমস্যা কেন হয় আর কী করলে সমাধান হবে, নিচে সেগুলোই দেওয়া হলো।

No Record Found

সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি হয়। নাম্বার আর জন্ম তারিখের মধ্যে অমিল থাকলে, কিংবা সনদটি অনলাইন ডেটাবেজে না থাকলে এই লেখাটি দেখায়।

সমাধান —

  • জন্ম তারিখ বছর-মাস-দিন ফরম্যাটে লিখেছেন কিনা দেখুন
  • নাম্বারটি ১৭ ডিজিট হয়েছে কিনা গুনে দেখুন
  • নাম্বারের প্রথম ৪ ডিজিট আর জন্মসাল মিলছে কিনা মিলিয়ে নিন
  • সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে সনদটি অনলাইন করিয়ে নিন

Request Timeout বা Server Busy

একসাথে অনেক মানুষ যাচাই করতে গেলে সরকারি সার্ভারে চাপ পড়ে, তখন এই সমস্যাটি দেখা দেয়।

সমাধান —

  • দিনের বেলা সমস্যা হলে রাতের দিকে চেষ্টা করুন
  • ব্রাউজার রিফ্রেশ করে আবার দেখুন
  • ইন্টারনেট সংযোগ ঠিক আছে কিনা দেখুন
  • ওয়াইফাই থেকে মোবাইল ডাটায় বা উল্টোটা করে দেখুন

তথ্য আসছে কিন্তু বানান ভুল

নিবন্ধনের সময়ই ভুল লেখা হয়েছিল, তাই ডেটাবেজেও ভুলটাই আছে।

এক্ষেত্রে নতুন করে নিবন্ধন করবেন না। একজনের দুটি জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেলে পরে এনআইডি বা পাসপোর্টের সময় অনেক বড় জটিলতা হয়। সঠিক পথ হলো সংশোধনের আবেদন করা।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা কেন দরকার

সনদে ছোট একটা ভুল থাকলে বা সনদটি অনলাইনে না থাকলে যেসব কাজ আটকে যায় —

  • স্কুল-কলেজে ভর্তি ও বোর্ড রেজিস্ট্রেশন
  • পাসপোর্টের আবেদন
  • জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকায় নাম তোলা
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বিবাহ নিবন্ধন
  • সরকারি ভাতা, ব্যাংক হিসাব ও জমি রেজিস্ট্রি

প্রতিবার আলাদা করে দৌড়ানোর চেয়ে একবার যাচাই করে সমস্যাটা আগেই ধরে ফেলা অনেক সহজ। বিশেষ করে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করানোর আগে বা পাসপোর্ট করার পরিকল্পনা থাকলে আগেভাগেই দেখে নিন।

ছবিসহ জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম

  1. everify bdris gov bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

    ব্রাউজারে https://everify.bdris.gov.bd/ লিখে ভিজিট করুন। অথবা গুগলে everify bdris gov bd লিখে সার্চ করে প্রথম ওয়েবসাইটটিতে ঢুকুন।

    এটি বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন যাচাইয়ের ওয়েবসাইট। ঢোকার পর নিচের ছবির মতো একটি ফরম দেখতে পাবেন।

    everify bdris gov bd ওয়েবসাইটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই ফরম
    সরকারি যাচাই ওয়েবসাইটের ফরম
  2. জন্ম নিবন্ধন নাম্বার লিখুন

    প্রথম ঘরে (Birth Registration Number) জন্ম সনদের ১৭ ডিজিটের নাম্বারটি লিখুন। মাঝে কোনো স্পেস বা ড্যাশ দেবেন না।

    আপনার নাম্বার যদি ১৩ ডিজিটের হয়, তবে নাম্বারের শুরুতে জন্মসাল বসিয়ে ১৭ ডিজিট বানিয়ে নিন। যেমন ১৩ ডিজিটের নাম্বার 9234567890123 এবং জন্মসাল 2005 হলে লিখতে হবে 20059234567890123।

    Birth Registration Number ঘরে ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার লেখা
    ১৭ ডিজিট একটানা লিখতে হবে
  3. জন্ম তারিখ লিখুন

    দ্বিতীয় ঘরে (Date of Birth) জন্ম তারিখ লিখুন। এখানে বছর-মাস-দিন অর্থাৎ YYYY-MM-DD ফরম্যাটে লিখতে হবে।

    যেমন কারও জন্ম তারিখ ২৫ আগস্ট ২০০৫ হলে লিখতে হবে 2005-08-25। চাইলে ঘরে ক্লিক করে ক্যালেন্ডার থেকেও তারিখটি বেছে নিতে পারবেন।

    Date of Birth ঘরে YYYY-MM-DD ফরম্যাটে জন্ম তারিখ লেখা
    উদাহরণ, ২৫ আগস্ট ২০০৫ হলে লিখুন 2005-08-25
  4. ক্যাপচার অংকটি সমাধান করুন

    নিচে একটি ছবিতে ছোট একটি অংক দেখতে পাবেন। বেশিরভাগ সময় এখানে যোগ বা বিয়োগ করতে বলা হয়।

    অংকটি সমাধান করে উত্তরটি The answer is লেখা ঘরে লিখুন। ছবির লেখা বুঝতে না পারলে পাশের Refresh লেখায় ক্লিক করে নতুন অংক নিতে পারবেন।

    BDRIS ফরমের ক্যাপচার অংক সমাধান করে উত্তর লেখা
    ক্যাপচা ভুল হলে ফরম আবার পূরণ করতে হয় না
  5. Search বাটনে ক্লিক করুন

    সব তথ্য পূরণ করার পর নিচে Search বাটনটি দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

    আপনার দেওয়া তথ্য ঠিক থাকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সনদের বিস্তারিত তথ্য স্ক্রিনে চলে আসবে।

    Search বাটনে ক্লিক করে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা
    Search বাটনে ক্লিক করলেই ফলাফল আসবে
  6. জন্ম সনদের তথ্য দেখুন

    নিচের ছবির মতো করে নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ, নিবন্ধনের তারিখ ও নিবন্ধনকারী কার্যালয়ের নাম দেখতে পাবেন।

    এই তথ্যগুলো এলে বুঝবেন সনদটি অনলাইন করা আছে। এখান থেকেই যাচাই কপির পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আর কোনো তথ্য না এলে No Record Found লেখা দেখাবে।

    জন্ম নিবন্ধন যাচাইয়ের ফলাফলে সনদের তথ্য
    যাচাইয়ের ফলাফল এভাবে দেখাবে

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার ওয়েবসাইট কোনটি?

https://everify.bdris.gov.bd/ ওয়েবসাইটে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন যাচাইয়ের এটিই সরকারি ওয়েবসাইট।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd মানে কী?

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার সময় জন্ম তারিখ লিখতে হয় YYYY-MM-DD ফরম্যাটে। এখানে YYYY মানে বছর, MM মানে মাস আর DD মানে দিন। যেমন ২৫ আগস্ট ২০০৫ হলে লিখতে হবে 2005-08-25।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে কত টাকা লাগে?

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে কোনো টাকা লাগে না, সম্পূর্ণ ফ্রি। কেউ যাচাইয়ের নামে টাকা চাইলে বুঝবেন সেটি প্রতারণা।

মোবাইল দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করবো কীভাবে?

মোবাইলের যেকোনো ব্রাউজার থেকে https://everify.bdris.gov.bd/ ভিজিট করুন। এরপর ১৭ ডিজিটের নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে ক্যাপচা পূরণ করে Search চাপলেই যাচাই হয়ে যাবে। আলাদা কোনো অ্যাপ লাগে না।

নাম দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যায় কি?

না, শুধু নাম দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যায় না। যাচাই করতে ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ও জন্ম তারিখ দুটোই লাগবে।

আইডি কার্ড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায়?

না, ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায় না। তবে আইডি কার্ড নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশনে গেলে সেখান থেকে জন্ম সনদের নাম্বার বের করে নিতে পারবেন।

১৩ ডিজিটের নাম্বার দিয়ে যাচাই করা যাবে?

সরাসরি যাবে না, তবে ১৩ ডিজিটের নাম্বারের শুরুতে জন্মসাল বসিয়ে ১৭ ডিজিট বানিয়ে নিলে যাচাই করা যায়। যেমন নাম্বার 9234567890123 ও জন্মসাল 2005 হলে হবে 20059234567890123।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই কপি ডাউনলোড করবো কীভাবে?

যাচাই করার পর যে তথ্যগুলো আসে, সেই পেজটি প্রিন্ট করলেই যাচাই কপির পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে। কম্পিউটারে CTRL + P চাপুন, মোবাইলে ব্রাউজারের তিন ডট মেনু থেকে Share অপশনে গিয়ে Print বেছে নিন।

No Record Found দেখালে কী করবো?

প্রথমে নাম্বার ও জন্ম তারিখ ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে দেখুন, বিশেষ করে তারিখের ফরম্যাটটি। সব ঠিক থাকার পরেও তথ্য না এলে বুঝতে হবে সনদটি এখনো অনলাইন করা হয়নি। সেক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশনে যোগাযোগ করুন।

বিদেশ থেকে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যাবে?

হ্যাঁ, পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকেই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে যাচাই করা যায়। প্রবাসীদের জন্য আলাদা কোনো নিয়ম নেই।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার অ্যাপ আছে কি?

সরকারিভাবে অনুমোদিত কোনো অ্যাপ নেই। প্লে স্টোরে যেসব অ্যাপ পাওয়া যায় সেগুলো বেসরকারি। নিরাপদ থাকতে চাইলে ব্রাউজার থেকে সরাসরি সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে যাচাই করুন।

যাচাই কপি কি সনদের বদলে জমা দেওয়া যাবে?

সাধারণত যায় না। যাচাই কপি শুধু প্রমাণ করে সনদটি অনলাইনে আছে। পাসপোর্ট বা ব্যাংকের কাজে সিল-স্বাক্ষরযুক্ত মূল সনদ লাগে, যা ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে তুলতে হয়।

Google-এ প্রিয় সোর্স হিসেবে যোগ করুন

এরপর থেকে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সার্চে আমাদের সাইট আগে দেখতে পাবেন।

যোগ করুন